‘জাতির কাছে সব ধরনের কমিটমেন্ট রক্ষা করেছেন শেখ হাসিনা’

October 26, 2020, 9:41 am

‘জাতির কাছে সব ধরনের কমিটমেন্ট রক্ষা করেছেন শেখ হাসিনা’

রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জাতির কাছে সব ধরনের কমিটমেন্ট রক্ষা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ ওয়েবিনার ‘তারুণ্যের অনুপ্রেরণা শেখ হাসিনা’ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় বিশেষ এ ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়েবিনারে অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, শেখ হাসিনা এ উপমহাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র৷ বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের আশা ভরসা শেখ হাসিনা। গ্রামে জন্মগ্রহণ করে সহজ সরল জীবন-যাপন করেন শেখ হাসিনা। পিতার কাছ থেকে রাজনীতি দেখেই তিনি এ বাঙালি জাতির প্রতি দায়িত্ববোধ, মমত্ববোধ প্রকট আকারে ধারণ করেন। শেখ হাসিনা যেমন মায়া মমতা দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ছিলেন ঠিক তেমনভাবে রাজনৈতিকভাবে সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জাতির কাছে সব ধরনের কমিটমেন্ট রক্ষা করেছেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০০৮ সালে যদি আমরা খেয়াল করি-মাত্র ৫৬ লাখ ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল, সেই যায়গা থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনা তরুণদের সম্পৃক্ত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়েছেন এবং তিনি সফল। এখন দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ১০ কোটির অধিক গ্রাহক। দেশের ইউনিয়নগুলো ডিজিটাল হাবে পরিণত হয়েছে। পাঁচ হাজার ৮৬৫টি ডিজিটাল সেন্টারে ১১ হাজার তরুণের কর্মসংস্থান হয়েছে। একটা বড় সংখ্যা যদি বলি সাড়ে ছয় লাখ আইটি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। কারণ ইউনিয়ন পর্যায়ে ইন্টারনেট পৌঁছে গেছে। এসব সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার দূরদর্শিতার কারণেই।

মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর যে শিক্ষা দর্শন ছিল- শিক্ষা হতে হবে বাস্তবমুখী, শিক্ষা হতে হবে প্রযুক্তি নির্ভর, বৃত্তিমূলক। কিন্তু ৭৫ পরবর্তী সময়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল। এরপরে ১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা আসার পরে শিক্ষা ব্যবস্থায় সুদূর প্রসারী পরিবর্তন হয়। আগে নারী শিক্ষায় পিছিয়ে ছিলাম এখন তা ছেলেদের চাইতেও এগিয়ে।

ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, শেখ হাসিনা ছয় বছর নির্বাসনে থাকার পরে গণতন্ত্র উদ্ধারে জন্যই দেশে ফেরেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে ফিরে গণমানুষের সঙ্কট নিয়ে চিন্তা এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন। আজকে তার জন্মদিনে তিনি নেত্রী থেকে বিশ্ব নেতায় পরিণত হয়েছেন। আমরা দেখেছি তার জন্মদিনে বিশ্বনেতাদের মনযোগ আকর্ষণ করেছেন। সবাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন। গণভবনে বসে তিনি সারাদেশের খোঁজ খবর রাখেন। তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাওয়া আমাদের ভাগ্যের ব্যাপার।

সানজিদা খানম বলেন, শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠা করেছেন। নারীর টেকসই উন্নয়নসহ নানান কাজ করে যাচ্ছে শেখ হাসিনা সরকার।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর


Share via
Copy link
Powered by Social Snap