অনলাইনে এনআইডি সেবা দিতে ইসি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু

May 27, 2020, 8:26 am

অনলাইনে এনআইডি সেবা দিতে ইসি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা দিতে দেশের ৫১৯টি থানা, ৬৪টি জেলা ও ১০ অঞ্চলের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু হয়েছে। ১০ দিন ব্যাপী এই অনলাইন ট্রেনিং কার্যক্রম চলবে।

ইসির জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগ বুধবার এই প্রশিক্ষণ শুরু করে। এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে অনলাইনে এনআইডি সেবা চালু করে ইসি। এরপর এনআইডি সার্ভার আপগ্রেড করে বিশ্বমানের করা হয়। আর এটিকে আরও বেগবান করতে এই কর্মশালা শুরু করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা প্রধান অতিথি এবং নির্বাচন কমিশনাররা বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর। এছাড়া জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক অনলাইন এনআইডি সার্ভিসে প্রেক্ষাপট নিয়ে বিশেষ উপস্থাপনা করেন। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিন শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন।

এ সময় এনআইডি নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে অনলাইনের মাধ্যমে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে এনআইডি সেবা প্রদানের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা, টেকনিক্যাল এক্সপার্ট, অ্যাসোসিয়েট, টেকনিক্যাল সাপোর্ট ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারীগণের দক্ষতা বৃদ্ধি নিশ্চিতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে এনআইডি উইংয়ের ডাটাবেজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি নির্ভর নির্ভুল তথ্য ভান্ডার। বর্তমানের এই ডাটা সেন্টারে এগারো কোটি নাগরিকের ৪০ ধরনের তথ্য সংযোজিত আছে। এই তথ্য ভান্ডারের সাহায্যে প্রতিদিন হাজার হাজার নাগরিকের তথ্য যাচাই-বাছাই করে সঠিক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে সরকারি-বেসরকারি, আর্থিক-সেবামূলক ১২৭টি প্রতিষ্ঠান দেশের নাগরিকদের সেবা প্রদান করছে।

সাইদুল ইসলাম বলেন, বছর বছর প্রতিনিয়ত এই তথ্য ভান্ডারে নতুন ভোটারদের তথ্য সংযোজিত হচ্ছে। কাজেই সার্ভারের সক্ষমতাও আমরা প্রতিনিয়তই বিভিন্নভাবে বাড়িয়ে চলেছি। সার্ভার সেন্টারকে ইসলামী ফাউন্ডেশনের পুরাতন ভবন থেকে সরিয়ে নির্বাচন ভবনে সম্পূর্ণ প্রযুক্তি নির্ভব অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। করোনা মোকাবিলার সাধারণ ছুটির এই সময়ে সার্ভার স্থানান্তরের অতি গুরুত্বপূর্ণ এই কাজটি আমরা সম্পন্ন করেছি।

তিনি বলেন, সিএমএস ব্যবহার করে সরাদেশে নাগরিকদের যেন দক্ষতার সাথে সেবা প্রদান করা যায় সেই লক্ষ্যে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া দেশের সকল থানা ও উপজেলা, জেলা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মচারীদের সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে অনলাইনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সারা দেশের আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার, সিনিয়র/জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার, টেকনিক্যাল এক্সপার্ট, অ্যাসোসিয়েট, টেকনিক্যাল সাপোর্ট ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ও অফিস সহকারীদের ৫টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। ১০ দিনের এই প্রশিক্ষণে ১৩৯ ব্যাচে বিভক্ত করে ২৩২২ জন ফ্যাসিলিটেটর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর


Share via
Copy link
Powered by Social Snap