সোলাইমানি হত্যার দিন টার্গেটে ছিলেন আরো এক ইরানি জেনারেল

January 18, 2020, 1:39 am

সোলাইমানি হত্যার দিন টার্গেটে ছিলেন আরো এক ইরানি জেনারেল

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এলিট কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যার দিন আরো একটি বড় টার্গেট ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। ইয়েমেনে অবস্থানরত ইরানের জ্যৈষ্ঠ এক সেনা কর্মকর্তাকেও একই দিন হত্যা করতে চেয়েছিল। তবে সেটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

শুক্রবার মার্কিনি কর্মকর্তাদের সূত্র দিয়ে এ তথ্য জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন।

তবে কীভাবে মিশন পরিচালনা বা টার্গেট নেয়া হয় এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এই মুহূর্তে এলিট কুদস ফোর্সকে ছিন্নভিন্ন করার জন্য তাদের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউস সূত্র।

ওয়াশিংটন পোস্টের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিনিদের সেই টার্গেটে ছিলেন এলিট কুদস ফোর্সের ফিন্যান্সার ও শীর্ষ কমান্ডার আব্দুল রেজা শাহলাই।

গত ডিসেম্বরে শাহলাইয়ের অর্থনৈতিক কার্যক্রম, যোগাযোগ প্রভৃতির তথ্যের জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ঘোষণা করেন ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট স্পেশাল প্রতিনিধি ব্রেইন হুক।

‘আমরা ইয়েমেনে ২ জানুয়ারির বিমান হামলার রিপোর্ট দেখেছি, যা সন্ত্রাসবাদী ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্য বিরোধীদের নিরাপদ স্থান হিসাবে দীর্ঘকাল পরিচিত।’ পেন্টাগনের মুখপাত্র বলেছেন রেবেকা রেবারিচ এক বিবৃতিতে একথা জানান।

মার্কিন সেনাবাহিনী ইয়েমেনভিত্তিক আল কায়েদা ও আইএস-এর সহযোগী সংগঠনগুলোকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন সময় বিমান হামলা চালিয়েছে। এই জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে দমনে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনী মোতায়েন করেছে।

এই অঞ্চলে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা করতে সহায়তার জন্য ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের উপর গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেছে মার্কিন সেনারা। আমেরিকা হুথি বিদ্রোহীদের অত্যাধুনিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের জন্য ইরানকে দুষছে।

গত ২ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোলাইমানিকে ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করে পেন্টাগন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর