বাচ্চাদের স্থুলতা কমানোর তিনটি ধাপ

February 24, 2020, 8:16 am

বাচ্চাদের স্থুলতা কমানোর তিনটি ধাপ

২০১৮ সালের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ভারতে ৮.৮২ শতাংশ শিশু শরীরের বাড়তি মেদ এবং ওজন নিয়ে বেড়ে উঠছে। উদ্ধেগের বিষয় গত দুই দশকে স্থূল শিশুদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসের প্রবণতা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, স্কুলে যায় নি বা সবেমাত্র গিয়েছে এমন শিশুদের স্থুলতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা সবথেকে বেশি দেখা যায়। গবেষণা বলছে যে, শিশুদের কীভাবে শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করতে হয় তা শিখিয়ে দেয়া ভবিষ্যতে সুখী ও স্বাস্থ্যকর জীবনের মূল চাবিকাঠি। শিশুদের স্থুলতা কমাতে জেনে নিন কী করবেন-

ঘুমের সময় নির্ধারন করুন
গবেষকরা ২০০১ থেকে ২০০২ এর মধ্যে জন্মগ্রহণকারী ১১ হাজার শিশুর উপর পরীক্ষা চালিয়েছে মার্কিন মিলেনিয়াম কোহোর্ট স্টাডি। তারা দেখতে পান যে, তিন বছর বয়সী ৪১ শতাংশ শিশু তাদের অসময়ে ঘুম এবং কম ঘুমের জন্য স্থুলতা অর্জন করছে।

আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্সের মতে, তিন থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের কমপক্ষে ১০ থেকে ১৩ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। যা আপনার শিশুর স্বাস্থ্য এবং বিকাশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনার শিশুর জন্য তার ঘুমের নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিন। রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস তৈরি করুন।

খাবারের সময় বজায় রাখুন
ঘুমানোর সময়সূচির মতো খাবারের সময়সূচিও শিশুদের স্থুলতা কমাতে সহায়তা করে। এটিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ আপনার শিশুর জন্য। আপনার বাচ্চা প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি গ্রহণ করছে এবং কোনো বেলার খাবার বাদ পরছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।

ডিভাইস ব্যবহারে সময় সীমাবদ্ধ করুন
ইলেকট্রনিক ডিভাইস শিশুদের ব্যবহারে সতর্ক হোন। অতিরিক্ত এসব ডিভাইস ব্যবহারে কেবলমাত্র স্তুলতা বাড়ছে তা নয়। এর সঙ্গে চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া এমনকি মানসিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। আপনার সন্তানের সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশের জন্য মোবাইল, ট্যাব বা টিভি দেখার সময় সীমাবদ্ধ করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর