Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home / ব্রেকিং নিউজ / ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার নাঈমের

ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার নাঈমের

অনলাইন ডেস্ক: বনানীর আবাসিক হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অন্যতম আসামি নাঈম আশরাফ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম এ কথা জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে গতকাল বুধবার রাতে নাঈম আশরাফকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এ গ্রেপ্তারের পর আজ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে আনা হয়।

বেশ কয়েকদিন ধরে নাঈম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম সক্রিয় ছিলেন। তবে এর আগে গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি সামাজিক মাধ্যমগুলো ডি-অ্যাক্টিভ করেন।

ডিবির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, নাঈম যার বাসায় আত্মগোপন করেছিল তার নাম মাতবর। তিনি নাঈমের আত্মীয়। নাঈমের প্রকৃত নাম আব্দুল হালিম। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নে। নিজের নাম পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের হালিম নাম ভাঁড়িয়ে ঢাকায় নাঈম আশরাফ নামে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা চালাচ্ছিলেন বলে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর প্রকাশ পায়।

এর আগে গত ১১ মে সিলেট থেকে এ মামলার প্রধান আসামি সাফাত আহমেদসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এর চারদিন পর গত ১৫ মে রাজধানীর নবাবপুর ও গুলশান-১ থেকে গ্রেফতার হয় মামলার অপর দুই আসামি সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল এবং দেহরক্ষী আজাদকে (রহমত)।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ বন্ধুর সঙ্গে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন দুই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী। ওই ঘটনার প্রায় ৪০দিন পর গত ৬ মে বনানী থানায় অভিযুক্ত সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ ও সাদমান সাকিফসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তারা।

মামলার আসামি সাফাত আপন জুয়েলার্সের সত্ত্বাধিকারী দিলদার আহমেদের ছেলে। আর সাদমান সাকিফ রেগনাম গ্রুপের মালিকের ছেলে এবং ওই গ্রুপের পরিচালক।

নাঈম আশরাফ নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতার ছেলের বন্ধু বলে পরিচয় দিয়ে থাকে। তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় নানা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

Comments

comments