Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home / লাইফস্টাইল / শরীরে পানি শূন্যতা বুঝবেন যেভাবে

শরীরে পানি শূন্যতা বুঝবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতায় প্রায় মানুষই ভোগে থাকে। শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে পানির পরিমাণ কমে গেলেই ডিহাইড্রেশনে ভুগতে হয়। ডিহাইড্রেশন হলে অনেক পরিমাণে পানি খেতে হয় এটি সবার জানা। কিন্তু ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ কী কী হতে পারে তা অনেকেই জানেন না। মূলত যে কোন রোগের চিকিৎসার আগে সে রোগের লক্ষনগুলো জানতে হয়,তাহলে চিকিৎসা ক রতে সুবিধা হয়। আসুন লক্ষণ গুলো জেনে নিই।

অনেক সময়ই আমরা এই কথাটা বলে থাকি ‘মাথা কাজ করছে না’। এটি ডিহাইড্রেশনের একটি উপসর্গ হতে পারে। সহজে কিছু ভুলে যাওয়া, কোন কাজে মনোনিবেশ না করতে পারা, অকারণে অতিরিক্ত ক্লান্ত লাগা এগুলি সবই হতে পারে শরীরে ফ্লুইডের পরিমাণ কম হলে। ডায়েটেশিয়ান জানিয়েছেন, ‘আপনি যথেষ্ট পরিমাণে ফ্লুইড না নিলে, তাঁর প্রভাব শরীরের উপর পড়ে। মানসিক ভাবেও দুর্বল লাগে।’ ডিহাইড্রেশনের ফলে মাথার যন্ত্রণা ও স্মৃতিভ্রমও হতে পারে।

জিম করার সময় ওয়ার্কআউট করতে কষ্ট হলে বুঝবেন আপনি হয়তো ডিহাইড্রেশনের শিকার। জিমে গিয়ে যে বেয়াম গুলি অনায়াসে আপনি করে ফেলেন, সেগুলিই হয়তো খুব কঠিন লাগবে এই দিনগুলিতে। ডিহাইড্রেশন হলে শারীরিক ভাবে আপনি দুর্বল হয়ে পড়বেন। ডিহাইড্রেশন হলে সহজে চোট পাওয়ার প্রবণতা বেরে যায়। শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক থাকলে এই ফ্লুইড কুশনের কাজ করে এবং হাড় ও পেশিকে রক্ষা করে।

শীতকাল নয়, তবুও ঠোঁট শুকিয়ে যাচ্ছে, ঠোঁট ফেটে রক্ত বেরুচ্ছে। নির্ঘাত আপনার ডিহাইড্রেশন হয়েছে। ডিহাইড্রেশন হলে ঠোঁটের উপর এতই প্রভাব পড়ে যে কিছুক্ষণ অন্তর অন্তর লিপ বাম মাখতে হয়। শরীর থেকে যখন জলের পরিমাণ কমে যায় তখন শরীর ঠোঁটের মতো কম প্রয়োজনীয় এলাকা থেকে জল নিয়ে তা হৃদ্পিন্ড ও মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয়। ফলে ঠোঁট শুকাতে থাকে।

ডিহাইড্রেশনের ফলস্বরূপ অকারণে আপনার মুড খারাপ থাকতে পারে। কোন কারণ ছাড়াই মাথা গরম করে ফেলা, বিরক্ত হওয়া এবং অকারণে ঘ্যানঘ্যান করা ডিহাইড্রেশনের উপসর্গ। তাই এবার থেকে অকারণে মুড সুইং হলেই এক গ্লাস পানি খেয়ে নিন।

ডিহাইড্রেশনের অন্যতম উপসর্গ হল কোষ্ঠকাঠিন্য। শরীরে জলের পরিমাণ কমে গেলে তাঁর প্রভাব পেটের উপরেও পড়ে। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে শরীরে অন্যান্য রোগও সহজে বাসা বাঁধতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বয়স্করা পানি কম খেলেই কোষ্ঠকাঠিন্যের শিকার হয়। তাই বাথরুমে বেশি সময় কাটাতে না চাইলে বেশি করে পানি খান।

অনেক সময় মাথা ঘোরা, বা অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলে মনে করা হয় ব্লাড সুগারের মাত্রা কমে গেছে। কিন্তু তখন মিষ্টির দোকানে না ছুটে পানি খেয়ে নিন। মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার কারণ শরীরে কম জলের পরিমাণও হতে পারে।

যারা বেশি স্পিডে গাড়ি চালায় তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডিহাইড্রেশনে ভোগেন। মাথায় অস্থিরতা চলতে থাকায় গাড়ি চালানো ক্ষেত্রে সেই ভুলগুলো দেখা যায়।

Comments

comments