Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home / আইন ও আদালত / এরশাদের রাডার ক্রয় দুর্নীতি মামলার রিভিউ খারিজ

এরশাদের রাডার ক্রয় দুর্নীতি মামলার রিভিউ খারিজ

অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে রাডার ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় নতুন সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ প্রশ্নে রিভিউ আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার (২০ মার্চ) প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে, মামলার আরেক আসামি বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান সুলতান মাহমুদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শামসুদ্দিন বাবুল।

শুনানি শেষ খুরশিদ আলম খান বলেন, রাডার ক্রয় মামলাটি বিচারিক আদালতে চলছে। আপিল বিভাগের এ আদেশের ফলে এ মামলায় নতুন করে সাক্ষ্য নেয়ার আর কোনো সুযোগ থাকলো না।

রাডার ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে বিচারিক আদলত। এই সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যাপ্ত নয় উল্লেখ করে অবশিষ্ট সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আবেদন করে দুদক। কিন্তু ঐ আবেদন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত খারিজ করে দেয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আসে দুদক।

গত বছরের ২৪ নভেম্বর এরশাদের রাডার ক্রয় সক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের অনুমতি ও ৩১ মার্চের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া শেষ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের বেঞ্চ । পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন এই মামলার আসামি বিমান বাহিনীর প্রাক্তন প্রধান সুলতান মাহমুদ।

এরশাদ ছাড়া এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিমান বাহিনীর সাবেক সহকারী প্রধান মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান সুলতান মাহমুদ ও ইউনাইটেড ট্রেডার্সের পরিচালক এ কে এম মুসা। মামলার শুরু থেকে মুসা পলাতক।

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালের ৪ মে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো এরশাদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করে। ফ্রান্সের থমসন সিএসএফ কোম্পানির অত্যাধুনিক রাডার না ক্রয় করে বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টিন কোম্পানির রাডার কিনে রাষ্ট্রের ৬৪ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৯১৮ টাকা আর্থিক ক্ষতি সাধনের অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। ১৯৯৪ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ১৯৯৫ সালের ১২ আগস্ট এরশাদসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হলেও ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত ছিল। ১৮ বছর পর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলে ২০১০ সালের ১৯ আগস্ট বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।

Comments

comments